শেরপুর প্রতিনিধি : শেরপুর সদর উপজেলার পাকুড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নওশেদ আলীর বিরুদ্ধে অবৈধভাবে ভূয়া ২ শিক্ষকের এমপিও’র জন্য আবেদন করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিনিময়ে ওই প্রধান শিক্ষক তাদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়েছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে গত ৩১ আগস্ট ওই বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক অধিদপ্তর ময়মনসিংহ অঞ্চল বরাবর প্রমানাদিসহ লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন।

অভিযোগে জানা গেছে, ২০০৯ সালের ২ জানুয়ারি শেরপুর সদর উপজেলার পাকুড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ধর্মীয় শিক্ষক মজিবুর রহমান অবসরে যাওয়ার পর ১৯৯৮ সালে নিয়োগপ্রাপ্ত (ইনডেক্স নং-০১০৪৩৯২০) সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমানকে ধর্মীয় শিক্ষক পদ দেখিয়ে সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের শূন্যপদ সৃষ্টি করেন। পরবর্তীতে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে ভূয়া ও জাল কাগজপত্রের মাধ্যমে ওই বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য হাবিবুর রহমানের ভাগনী আফরোজা মুক্তাকে সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের ভূয়া শিক্ষক দেখিয়ে এমপিওভুক্তি করার জন্য জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে ভূয়া কাগজপত্র প্রেরণ করেছেন।

অপরদিকে ২০০৪ সালের ভূয়া স্মারক বানিয়ে মনগড়া ব্যবসায়িক শিক্ষা শাখা খোলার অফিস আদেশ তৈরী করেন এবং পরিবর্তিতে জনৈক দায়েন উদ্দিন ফকিরকে ২০১৫ সালের ব্যবসায় শাখার সৃষ্ট পদে একই কায়দায় ভূয়া নিয়োগ দখিয়ে এমপিওভুক্ত করার আবেদন করেছেন।

এ বিষয়ে ময়মনসিংহ শিক্ষা অঞ্চলের উপ-পরিচালক আবু নূর মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম জানায়, অভিযোগ পেয়েছি। আগামী ৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অভিযোগ তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

অভিযোগের বিষয়ে ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নওশেদ আলী জানান, আমি সকল কাগজপত্র সঠিক দেখে সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের মাধ্যমে ময়মনসিংহের ডিডি অফিসে প্রেরণ করেছি। সেখানে কোন ভূয়া কাগজপত্র ধরা পড়লে তাদের এমপিও হবে না। তবে এ প্রতিবেদকের কাছে প্রধান শিক্ষক ওই ২ শিক্ষকের নিবন্ধনের কোন কাগজ এবং শিক্ষক তালিকা দেখাতে পারেনি।