ভালুকা প্রতিনিধি : ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার হবিরবাড়ি আমতলী এলাকায় বৃহস্পতিবার ভোরে বাড়ির সীমানা প্রাচীর ভেঙে বাড়িতে ঢুকে প্রাইভেটকার ভাংচুর,বাড়িতে লুটপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার সময় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার ৯৯৯ ফোন করার পর মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্থদের পক্ষ থেকে ভালুকা মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগে জানা যায়, আমতলী এলাকার বাসিন্দা আব্দুস ছালাম সরকার স্বাধীনার পর জমি ক্রয় করে তার স্ত্রী, সন্তান বসবাস করতে থাকেন। দেড় বছর পূর্বে তিনি মারা যান। পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী বুধবার রাত পৌনে ১২টার সময় প্রতিবেশি রুহুল আমীন, শহিদ ও ওমর ফারুকের নেতৃত্বে আব্দুস ছালামের বাড়ির চারটি সিসি টিভি ক্যামেরা ভেঙে বৃহস্পতিবার ভোর রাতে রুহুল আমীন, বাতেন,মান্নান,হেলাল,হেলিম,ওমর ফারুক, শহিদ, আসাদ ও শান্তর নেতৃত্বে ২০/২৫জনের ভাড়াটিয়া গুন্ডা বাহিনী দেশিয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে বাড়ির সীমানা প্রাচীর ভেঙে বাড়ির ভেতরে ঢুকে গ্যারেজ থাকা একটি এলিয়ন প্রাইভেটকার ভাংচুর,বাড়িতে লুট পাট করে। এ সময় বাড়ির লোকজন হামলাকারীদের ভয়ে ঘর থেকে বের হতে সাহস পায়নি। মোবাইল ৯৯৯এ ফোন করা পর ভালুকা থানার পুলিশ উপস্থিত হলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।

আব্দুস ছালামের ছেলে আবু সাঈদ সরকার জানান, ডিমারকেশন,খারিজ করা ও বর্তমান বিআরএস চুড়ান্ত হওয়া জমি রুহুল আমিন ও আসদ গং তিন বছর পুর্বে আমার প্রায় সাড়ে ৫একর জমি জোরপূর্বক দখল করে নিয়েছে। ঘটনার রাতে হামলাকারীরা আমার বাড়ির সীমানা প্রাচীর ভেঙে বাড়িতে ঢুকে স্বর্ণাংকার,নগদ আড়াই লাখ টাকা,গাড়ি ভাংচুর ও লুটপাট করে প্রায় ৬/৭ লাখ টাকার ক্ষতি করে। পুলিশ উপস্থিত না হলে আরো বড় ধরনের ক্ষতি করতো।

রুহুল আমীনের স্ত্রী মাজেদা খাতুন জানান,আমাদের সাথে সাঈদ ও সাইফুলদের দীর্ঘ দিন যাবত জমি সংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে। লুটপাটের কোনো ঘটনা ঘটেনি।

ভালুকা মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ মাইন উদ্দিন জানান,হামলার খবর পেয়ে আমি পুলিশ পাঠিয়েছি। এখনো আমার কাছে কোনো অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেবো।